- সাংবাদিক মবরুর আহমদ সাজু’র বাসায় চুরি : স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা লুট
- ফ্যাসিস্টের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে গণতান্ত্রিক সরকারের বিকল্প নেই : এনামুল হক চৌধুরী
- নির্বাচন বিলম্বিত হলে ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে : হাকিম চৌধুরী
- অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীনের
- কানাইঘাটে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দিলেন ইউএনও
- কানাইঘাট পৌর বিএনপির ৮নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বঙ্গভবনে নামাজে ইমামতি করলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান
- স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতি সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
- কানাইঘাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
- কানাইঘাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত
» ঘুষ লেনদেন মামলা: জামিন পেলেন বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজানুর রহমান
প্রকাশিত: ১৩. এপ্রিল. ২০২২ | বুধবার

চেম্বার ডেস্ক::
ঘুষ লেনদেনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পুলিশের বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজানুর রহমানকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের একক বেঞ্চ এ জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল মিজানের জামিন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে আদালত আজ জামিনের দিন ধার্য করেন। এ সময় নিম্ন আদালতে থাকা মামলার সব নথিও তলব করেন হাইকোর্ট।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজান ও বাছিরকে তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে মানি লন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন শেখ মো. ফানাফিল্লাহ।
গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। এরপর তিনি মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। গত বছর ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়ার পর দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন পুলিশের বিতর্কিত এই কর্মকর্তা। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনা তদন্ত করছিলেন এনামুল বাছির। মিজান এ সম্পর্কিত অডিও রেকর্ড বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে সরবরাহ করেন। এরপরই দুদক তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে কমিশন খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। পরে দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোরশেদকে নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ খবর
- সাংবাদিক মবরুর আহমদ সাজু’র বাসায় চুরি : স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা লুট
- ফ্যাসিস্টের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে গণতান্ত্রিক সরকারের বিকল্প নেই : এনামুল হক চৌধুরী
- নির্বাচন বিলম্বিত হলে ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে : হাকিম চৌধুরী
- অন্তর্বর্তী সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি চীনের
- কানাইঘাটে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দিলেন ইউএনও
সর্বাধিক পঠিত খবর
- কানাইঘাটে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত, গ্রেফতার-১
- ফের বাংলাদেশ থেকে ব্রিটিশ ভিসা দেওয়া শুরু, রয়েছে নানা শর্ত
- আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি মাহফুজের, ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম
- কানাইঘাটে পরকীয়ায় বাঁধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়ে আহত,থানায় অভিযোগ দায়ের
- কানাইঘাটে ৫০ উর্ধ্ব মহিলার যৌন হেনেস্থার ভিডিও যে ভাবে ধারণ করে বখাটেরা
এই বিভাগের আরো খবর
- কানাইঘাটে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংঘঠনের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ২
- আন্তর্জাতিক আদালতে ড. ইউনূসসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- জনগণ মনে করলে সংবিধান সংশোধন হতে পারে : ড. কামাল হোসেন
- সাইবার নিরাপত্তা আইন এক সপ্তাহের মধ্যে বাতিল: উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম
- দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এটিএম ফয়েজ’র নিয়োগ বাতিল, নতুন পিপি আশিক উদ্দিন